এসিএম আন্তর্জাতিক কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা
(এসিএম আইসিপিসি বা আইসিপিসি) হলো একাধিক ধাপবিশিষ্ট বার্ষিক প্রোগ্রামিং
প্রতিযোগিতা যা সারা বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
এশিয়াতে ১৩টি সাইটে এই প্রতিযোগিতার আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয় এবং ঢাকা
সাইট তার মধ্যে অন্যতম। ঢাকা সাইটের প্রতি বছরের বিজয়ীরা ওয়ার্ল্ড
ফাইনালে অংশগ্রহণ করে। অন্যান্য সাইটের মতো ঢাকা সাইটও আইবিএম আয়োজন করে
থাকে এবং এসিএম এর পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হয়।
ইতিহাসঃ
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এর অধ্যাপক আবুল এল হকের উদ্যোগে ১৯৯৭ সালে প্রথমবারের মতো এসিএম আইসিপিসির
ঢাকা সাইট গঠন করা হয়। ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি দলের অংশগ্রহণে ১৯৯৭ সালের ১৮ নভেম্বর প্রথমবারের মতো ঢাকা সাইট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এর BUET Bengal Tigers চ্যাম্পিয়ন হয়ে ১৯৯৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ফাইনালে অংশগ্রহণ করে ২৪তম স্থান অধিকার করে। একই বছর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা সাইটের আয়োজক হওয়ার কারণে ওয়াইল্ড কার্ডের মাধ্যমে ওয়ার্ল্ড ফাইনালে অংশগ্রহণ করে।
ঢাকা সাইট আয়োজক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ
ইতিহাসঃ
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এর অধ্যাপক আবুল এল হকের উদ্যোগে ১৯৯৭ সালে প্রথমবারের মতো এসিএম আইসিপিসির
ঢাকা সাইট গঠন করা হয়। ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি দলের অংশগ্রহণে ১৯৯৭ সালের ১৮ নভেম্বর প্রথমবারের মতো ঢাকা সাইট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এর BUET Bengal Tigers চ্যাম্পিয়ন হয়ে ১৯৯৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ফাইনালে অংশগ্রহণ করে ২৪তম স্থান অধিকার করে। একই বছর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা সাইটের আয়োজক হওয়ার কারণে ওয়াইল্ড কার্ডের মাধ্যমে ওয়ার্ল্ড ফাইনালে অংশগ্রহণ করে।
ইভেন্টসমূহ
১৯৯৭
- বিজয়ী: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
- পৃষ্ঠপোষক: নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- ওয়ার্ল্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়নের অবস্থান: ২৪তম
১৯৯৮
- বিজয়ী: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
- পৃষ্ঠপোষক: নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- ওয়ার্ল্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়নের অবস্থান: Honorable Mention
১৯৯৯
- বিজয়ী: চায়নিজ ইউনিভার্সিটি অব হংকং
- পৃষ্ঠপোষক: নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- ওয়ার্ল্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়নের অবস্থান: ৮ম
২০০০
- অনুষ্ঠিত হয়নি
২০০১
- বিজয়ী: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
- পৃষ্ঠপোষক: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
- ওয়ার্ল্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়নের অবস্থান: Honorable Mention
২০০২
- বিজয়ী: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
- পৃষ্ঠপোষক: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
- ওয়ার্ল্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়নের অবস্থান: Honorable Mention
২০০৩
- বিজয়ী: ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়
- পৃষ্ঠপোষক: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
- ওয়ার্ল্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়নের অবস্থান: ১৫তম
২০০৪
- বিজয়ী:ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়
- পৃষ্ঠপোষক:নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- ওয়ার্ল্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়নের অবস্থান: ৬ষ্ঠ
২০০৫
- বিজয়ী:ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়
- পৃষ্ঠপোষক:নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- ওয়ার্ল্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়নের অবস্থান:': ৩৯তম
- নোট: Dhaka University and Bangladesh University of Engineering and Technology secured 2nd and 3rd place respectively. American International University - Bangladesh became 4th.
২০০৬
- বিজয়ী:ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়
- পৃষ্ঠপোষক:নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- ওয়ার্ল্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়নের অবস্থান: ২৬তম
- নোট: Bangladesh University of Engineering and Technology secured 2nd place. American International University - Bangladesh and North South University jointly secured 3rd place.
২০০৭
- বিজয়ী: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
- পৃষ্ঠপোষক: ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়
- ওয়ার্ল্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়নের অবস্থান: ৩১তম
- নোট: Fudan University and East West University secured 2nd and 3rd place respectively.
২০০৮
- বিজয়ী: ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়
- পৃষ্ঠপোষক: নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- 'ওয়ার্ল্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়নের অবস্থান: ১৪তম
- নোট; Bangladesh University of Engineering and Technology ২য় স্থান অধিকার করে ওয়াইল্ড কার্ডের মাধ্যমে ওয়ার্ল্ড ফাইনালে অংশগ্রহণ করে।
২০০৯
- বিজয়ী: ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়
- পৃষ্ঠপোষক: নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- 'ওয়ার্ল্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়নের অবস্থান: ১১তম
- নোট; Bangladesh University of Engineering and Technology secured 2nd place and Dhaka University was place 3rd.
২০১০
- বিজয়ী: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
- Host: নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- Maximum problem solved: 6
- Champion's position at the world final: Honorable Mention
- নোট: Fudan University and Bangladesh University of Engineering and Technology secured 2nd and 3rd place respectively. Total 103 Teams from 43 Universities competed for a spot at the ACM ICPC world final 2011.
২০১১
- বিজয়ী: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
- পৃষ্ঠপোষক: নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- 'ওয়ার্ল্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়নের অবস্থান: Honorable Mention
২০১২
- বিজয়ী: Shanghai Jiao Tong University
- পৃষ্ঠপোষক': ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
- Maximum problem solved: ৭
- ওয়ার্ল্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়নের অবস্থান: ২য়
- নোট:
২০১৩
- বিজয়ী: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
- পৃষ্ঠপোষক: নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- Maximum problem solved: ৭
২০১৪
- বিজয়ী: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
- পৃষ্ঠপোষক: বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি
- Maximum problem solved: ৭
- ওয়ার্ল্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়নের অবস্থান: এখনও অনুষ্ঠিত হয়নি
- ১৯৯৭ - নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- ১৯৯৮ - নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- ১৯৯৯ - নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- ২০০০ - অনুষ্ঠিত হয়নি
- ২০০১ - বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
- ২০০২ - বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
- ২০০৩ - বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
- ২০০৪ - নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- ২০০৫ - নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- ২০০৬ - নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- ২০০৭ - ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়
- ২০০৮ - নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- ২০০৯ - নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- ২০১০ - নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- ২০১১ - নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- ২০১২ - ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
- ২০১৩ - নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
- ২০১৪ - বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন