তথ্য বা ইনফরমেশন পাঠানোর উদ্দেশ্যে সিগনালের আকার পরিবর্তন করার
পদ্ধতিকে বলা হয় মডুলেশন (উপযোজন)। মডুলেশন হলো টেলিযোগাযোগ ব্যাবস্থার
প্রান। একটি সিগনালে উপস্থিত তথ্য আরেকটি সিগনালের উপর চাপিয়ে দেয়ার জন্য
সর্বদাই মডুলেশন পদ্ধতি বাবহৃত হয়। মডুলেশন ব্যবহার করা হয় সিগনালের
ফ্রিকোয়েন্সি বাড়ানোর জন্য। কারণ বায়ু মাধ্যমে নিম্ন কম্পাঙ্কর সিগনাল
খুব বেশি দূরে পাঠানো সম্ভব নয়। তাই সিগনাল পাঠানোর পুর্বে একে উচ্চ
কম্পাঙ্কের আরেকটি সিগনালের উপর স্থাপন করা হয়। এটি করা হয় মূল সিগনালে
বা ইনফরমেশন সিগনালে অবস্থিত তথ্য অনুসারে উচ্চ কম্পাঙ্কের সিগনালের
কম্পাঙ্ক, বিস্তার(amplitude) অথবা দশা (phase) পরিবর্তনের মাধ্যমে।
সাধারণত মূল সিগনালের বিস্তারের পরিবরতনের মধ্যে তথ্য উপস্থিত থাকে। উচ্চ
কম্পাঙ্কের সিগনালটিকে বলা হয় বাহক সিগনাল বা ক্যারিয়ার সিগনাল। মিশ্র
সিগনালটিকে বলে মডুলেটেড সিগনাল।
মডুলেশন এনালগ ও ডিজিটাল দুই প্রকার হতে পারে। ইনফরমেশন সিগনাল অনুসারে
বাহক সিগনালের কোন বৈশিষ্ট্যটি পরিবর্তিত হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে এনালগ
মডুলেশন ৩ প্রকার হতে পারে।
১। বিস্তার উপযোজন পদ্ধতি(amplitude modulation)ঃ এ পদ্ধতিতে মূল সিগনালের বিস্তারের পরিবরতনের সাথে সাথে যদি বাহক সিগনালের বিস্তার পরিবরতিত হয়।
২। কম্পাঙ্ক উপযোজন পদ্ধতি(frequency modulation)ঃ এ পদ্ধতিতে মূল সিগনালের বিস্তার পরিবর্তনের সাথে সাথে বাহক সিগনালের কম্পাঙ্ক পরিবর্তিত হয়ে যায়।
৩। দশা উপযোজন পদ্ধতি(phase modulation)ঃ এ পদ্ধতিতে মূল সিগনালের বিস্তারের সাথে সাথে বাহক সিগনালের দশা পরিবর্তিত হয়। এটিও এক প্রকার কম্পাঙ্ক উপযোজন পদ্ধতি।
উপরোল্লিখিত তিনটি মডূলেশন প্রক্রিয়াই এনালগ সিগনালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যদি একটি মূল এনালগ সিগনাল থেকে নির্দিষ্ট সময় পর পর নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং সেই নমুনায় সিগনালের বিস্তারের মান্তিকে ডিজিটাল সংখ্যায় রুপান্তর করা হয় তবে তাকে ডিজিটাল সিগনাল বলা হয়।
ডিজিটাল তথ্যকে এনালগ তরঙ্গ আকারে উপস্থাপন করতে মডুলেশন করা হয়। একে বলা হয় “কীয়িং”। বিভিন্ন ধরনের কীয়িং প্রযুক্তি বাবহৃত হয়, যেমন- ফেজ শিফ্ট কীয়িং, এম্পলিচ্যুড শিফ্ট কীয়িং, মিনিমাম শিফ্ট কীয়িং। ব্লুটুথ প্রযুক্তিতে দু’টি যন্ত্রের মধ্যে সংযোগ স্থাপনে ফেজ শিফ্ট কীয়িং প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
মডুলেশনের উদাহারণঃ মানুষের কণ্ঠস্বরের উপর উপযোজন করা হয়কম্পাঙ্ক সাধারণত ৩০০–৩৪০০ Hz এর মাঝে। এই কম্পাঙ্কের শব্দ খুব বেশি দূরে থেকে শুনতে পাওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু যদি মানুষের এই কম্পাঙ্কের কথা একটি ৯৬ মেগাহার্টজ কম্পাঙ্কের বাহক সিগনালের তবে তা দূরে প্রেরণ করা সম্ভব হয়। এভাবেই বেতার সম্প্রচার করা হয়ে থাকে।
১। বিস্তার উপযোজন পদ্ধতি(amplitude modulation)ঃ এ পদ্ধতিতে মূল সিগনালের বিস্তারের পরিবরতনের সাথে সাথে যদি বাহক সিগনালের বিস্তার পরিবরতিত হয়।
২। কম্পাঙ্ক উপযোজন পদ্ধতি(frequency modulation)ঃ এ পদ্ধতিতে মূল সিগনালের বিস্তার পরিবর্তনের সাথে সাথে বাহক সিগনালের কম্পাঙ্ক পরিবর্তিত হয়ে যায়।
৩। দশা উপযোজন পদ্ধতি(phase modulation)ঃ এ পদ্ধতিতে মূল সিগনালের বিস্তারের সাথে সাথে বাহক সিগনালের দশা পরিবর্তিত হয়। এটিও এক প্রকার কম্পাঙ্ক উপযোজন পদ্ধতি।
উপরোল্লিখিত তিনটি মডূলেশন প্রক্রিয়াই এনালগ সিগনালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যদি একটি মূল এনালগ সিগনাল থেকে নির্দিষ্ট সময় পর পর নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং সেই নমুনায় সিগনালের বিস্তারের মান্তিকে ডিজিটাল সংখ্যায় রুপান্তর করা হয় তবে তাকে ডিজিটাল সিগনাল বলা হয়।
ডিজিটাল তথ্যকে এনালগ তরঙ্গ আকারে উপস্থাপন করতে মডুলেশন করা হয়। একে বলা হয় “কীয়িং”। বিভিন্ন ধরনের কীয়িং প্রযুক্তি বাবহৃত হয়, যেমন- ফেজ শিফ্ট কীয়িং, এম্পলিচ্যুড শিফ্ট কীয়িং, মিনিমাম শিফ্ট কীয়িং। ব্লুটুথ প্রযুক্তিতে দু’টি যন্ত্রের মধ্যে সংযোগ স্থাপনে ফেজ শিফ্ট কীয়িং প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
মডুলেশনের উদাহারণঃ মানুষের কণ্ঠস্বরের উপর উপযোজন করা হয়কম্পাঙ্ক সাধারণত ৩০০–৩৪০০ Hz এর মাঝে। এই কম্পাঙ্কের শব্দ খুব বেশি দূরে থেকে শুনতে পাওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু যদি মানুষের এই কম্পাঙ্কের কথা একটি ৯৬ মেগাহার্টজ কম্পাঙ্কের বাহক সিগনালের তবে তা দূরে প্রেরণ করা সম্ভব হয়। এভাবেই বেতার সম্প্রচার করা হয়ে থাকে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন